পদ্মর তখন দুই। ওকে গল্পের বই পড়ে শুনাই। তাতে সমুদ্রের অনেক গল্প। বাবা-মা-ছানা একসাথে সমুদ্রে যাচ্ছে। সবাই অনেক আনন্দ করছে। তখন থেকেই সমুদ্র পদ্মর জন্যে একটা স্বপ্নের জায়গা।
বাবা-মা মিলে প্ল্যান করি। হাজারটা ফোন করি। নিত্যনতুন বুদ্ধি করি - চেনা মানুষের বাসায় থাকবো, নাকি আস্ত বাসা ভাড়া নিয়ে থাকবো, নাকি হোটেলের কিচেনের সাথে বিশেষ সুবিধার জন্যে আলাপ করবো - কত বুদ্ধি। শেষটায় যাওয়া হয়না।
পদ্মর তখন তিন। সবাই মিলে বেড়াতে গেছি পূর্বাচল। সেখানে শীতলক্ষ্যা নদী। পদ্ম তাই দেখে মুগ্ধ - “বাবা, সমুদ্র।” তক্ষুনি মিরাকল। একটা মাঝারী জাহাজ চলে গেলো মস্ত ঢেউ তুলে। পদ্মর সেই প্রথম গাং দর্শন।
বড় গাং দেখতে আরো এক বছর। বাবা-মা-পদ্ম মিলে গেলাম কক্সবাজার। সেখানে আমার ইউনিভার্সিটির বন্ধু সপত্নীক দুই কন্যা সহ উপস্থিত ছিলো, ছোট কন্যাটি পদ্মর সহপাঠী। তিন জনে স্প্লিপিং কোচে করে কক্সবাজার নামলাম। বাস স্টপ থেকে সাইমন হোটেল যাবার পথে ডলফিন মোড় থেকে যেই লাবনী রোডে পড়েছি, বেবি ট্যাক্সির ফাঁকা দিয়ে দেখলাম উঁকি মারছে সমুদ্র।
পদ্মকে ডেকে বললাম, “মা, দেখ আমাদের ডাইনে কি।” পদ্ম উঁকি মেরে কিছুক্ষণের জন্যে স্তম্ভিত হয়ে গেলো। তারপর কেমন একটা হাসি দিয়ে কোনমতে বললো, “সমুদ্র।”
বাবা-মা মিলে প্ল্যান করি। হাজারটা ফোন করি। নিত্যনতুন বুদ্ধি করি - চেনা মানুষের বাসায় থাকবো, নাকি আস্ত বাসা ভাড়া নিয়ে থাকবো, নাকি হোটেলের কিচেনের সাথে বিশেষ সুবিধার জন্যে আলাপ করবো - কত বুদ্ধি। শেষটায় যাওয়া হয়না।
পদ্মর তখন তিন। সবাই মিলে বেড়াতে গেছি পূর্বাচল। সেখানে শীতলক্ষ্যা নদী। পদ্ম তাই দেখে মুগ্ধ - “বাবা, সমুদ্র।” তক্ষুনি মিরাকল। একটা মাঝারী জাহাজ চলে গেলো মস্ত ঢেউ তুলে। পদ্মর সেই প্রথম গাং দর্শন।
বড় গাং দেখতে আরো এক বছর। বাবা-মা-পদ্ম মিলে গেলাম কক্সবাজার। সেখানে আমার ইউনিভার্সিটির বন্ধু সপত্নীক দুই কন্যা সহ উপস্থিত ছিলো, ছোট কন্যাটি পদ্মর সহপাঠী। তিন জনে স্প্লিপিং কোচে করে কক্সবাজার নামলাম। বাস স্টপ থেকে সাইমন হোটেল যাবার পথে ডলফিন মোড় থেকে যেই লাবনী রোডে পড়েছি, বেবি ট্যাক্সির ফাঁকা দিয়ে দেখলাম উঁকি মারছে সমুদ্র।
পদ্মকে ডেকে বললাম, “মা, দেখ আমাদের ডাইনে কি।” পদ্ম উঁকি মেরে কিছুক্ষণের জন্যে স্তম্ভিত হয়ে গেলো। তারপর কেমন একটা হাসি দিয়ে কোনমতে বললো, “সমুদ্র।”