সেই কবে পদ্ম পাখি সেজেছিলো, কাপড়ের ক্লিপের পাখা। আর সেই পাখিটা নাচ দেখিয়েছিলো, গান শুনিয়েছিলো, সার্কাস আর ম্যাজিক দেখিয়েছিলো।
পদ্মপাখি
বাবাম
পদ্ম ওর মাকে মা বলে, নানা সুরে, রাগ, অভিমান, পটানি, আহ্লাদি কত কিছু। আর বাবাকে বলে বাবাম, বলে আমার বাবা, ড্যাডি পিগ (এটা পেপা পিগ থেকে নেয়া), এমনি নানা কিছু।
সেই বাবাকে পদ্ম আর পায়না। বাবাও পদ্মকে আর পায়না।
পদ্মর মা ওর জন্মদিনে ম্যাজিশিয়ান ডেকে বাসায় বাচ্চাদের খেলা দেখিয়েছে। পদ্ম মুগ্ধ। বাচ্চারাও। আমি ইনভাইটেড নই।
পরের দিন সকালে, আমার অনেক ভাগ্য, আমি পদ্মর সাথে ছিলাম। জিজ্ঞেস করলাম, “মা, ম্যাজিক কেমন ছিলো?” পদ্ম ওর স্বভাব মতো হাঁউমাউ করে বললো, “ওয়ার্স্ট ম্যাজিক ইন মাই লাইফ। বাবা, তুমি এলে না কেন?” পদ্মর জীবনে প্রথম যে ম্যাজিক দেখিয়েছিলো সেই বাবার তখন চোখে জল। কোনমতে বললাম, “তোর মা যে আমাকে আসতে বলেনি।”
তখনই পদ্মর মা এসে গেলো। বললো, “মেয়েকে চোখের পানি দেখােচ্ছো কেন?”
সত্যি তো! মানুষ কাঁদে কেন?
পদ্মর মায়ের জন্মদিন
আজকে পদ্মর মায়ের জন্মদিন। কাল রাতে পদ্মর মা ভাইবারে অনেক গালাগাল পাঠিয়েছে। কি করি?
সকলই ফুরায়
এটা খুবই ভয়ের কবিতা। খুব আশা করি পদ্ম কোনোদিন বুঝবে না। বাবা মারা গেলে পদ্ম কি বাবাকে মনে রাখবে? রাখলে কি মনে রাখবে? পদ্ম কি কোনোদিন জানতে পারবে ওর বাবা ওকে সত্যি সত্যি ভালোবাসে? জানি না।
সকলই হারিয়ে যায়
জামিয়ে রাখা প্রথম জামা কোথায় যে লুকায়
গোলাপী আংটি বইয়ের পাতা
পুতুলের জুতো অঙ্ক খাতা
কেমন করে কে জানে কবে কখন কোথায়
এক এক করে সকলই হারায়
সকলই হারিয়ে যায়
কোনো একদিন হারিয়ে ফেলার স্মৃতিটাও
মুছে যায়
Subscribe to:
Posts (Atom)


